মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

দৌলতপুর কারিগরী কলেজ

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।

১০/১২/০৯

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
সৈয়দ আহাম্মদ ০১৭১৮১০৯৮৭৮ sayed@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

৮৭%

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলাতে বাংলাদেশকে আরো বেশি উন্নত, আরো বেশি গতিশীল এবং আরো বেশি সংবেদনশীল করাই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল লক্ষ¨। বিশেষ বা ব্যক্তি বিশেষে এর ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের কাছে তার উন্নতমানের শিক্ষা পাবার নিশ্চয়তা, একজন কৃষকের কাছে বাজারের নিশ্চয়তা,  একজন রোগীর কাছে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে সুচিকিৎসা পাবার নিশ্চয়তা, একজন পেনশনভোগী,  একজন মুক্তিযোদ্ধা ও একজন বিধবার কাছে তাদের পেনশনের টাকা টা সময়মতো স্বচ্ছতার সাথে পাওয়ার নিশ্চয়তা অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের চাহিদা মতো তার দোরগোড়ায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভাব্য সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায়  সহজেই সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছেন তা হচ্ছ ‘ভিশন-২০২১’।